⭕ তিনবার সূরা ইখলাস পাঠ= এক বার কোরআন পাঠ করার সমান।
⭕চার বার সূরা কাফিরুন পাঠ = এক খতম কোরআন পাঠ করার সমান
⭕ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ = মৃত্য ছাড়া জান্নাতে যেতে আর কোনো বাধা থাকে না।
⭕ ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে = একজন ফেরেশতা সারারাত পাহাড়া দিবে।
⭕ ঘুমানোর সময় সূরা কাফিরুন পাঠ করা = শির্ক থেকে মুক্ত।
⭕রাতে সূরা মুলক পাঠ = কবরের আযাব থেকে মুক্তি।
⭕জামাতে নামাজ আদায় = ২৫/২৭ গুন বেশি সওয়াব।
⭕রমজান মাসে উমরা = হজ্বের সমতুল্য!
⭕জানাযার নামাজ আদায় করা = ১ কীরাত সওয়াব ( ১ কীরাত হল উহুদ পাহাড়ের সমান।
⭕ জানাযার নামাজ আদায় করা + দাফন সম্পন্ন হওয়া প্রযন্ত থাকা = ২ কীরাত সওয়াব।
⭕উযু করে নামাজের উদ্দেশ্য মসজিদে রওনা করা = প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি গুনাহ মাপ ও একটি মর্যাদা বৃদ্ধি।
(সূত্র : বুখারী ৬৪৮,৭৯৯,৫০১৫।আবু দাউদ ৫০৫৫। তিরমিযী ৯৩১,২৮৯৩)
🔘আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমল করা তৌফিক দান করুন
⭕চার বার সূরা কাফিরুন পাঠ = এক খতম কোরআন পাঠ করার সমান
⭕ফরয নামাজের পর আয়াতুল কুরসি পাঠ = মৃত্য ছাড়া জান্নাতে যেতে আর কোনো বাধা থাকে না।
⭕ ঘুমানোর সময় আয়াতুল কুরসি পাঠ করলে = একজন ফেরেশতা সারারাত পাহাড়া দিবে।
⭕ ঘুমানোর সময় সূরা কাফিরুন পাঠ করা = শির্ক থেকে মুক্ত।
⭕রাতে সূরা মুলক পাঠ = কবরের আযাব থেকে মুক্তি।
⭕জামাতে নামাজ আদায় = ২৫/২৭ গুন বেশি সওয়াব।
⭕রমজান মাসে উমরা = হজ্বের সমতুল্য!
⭕জানাযার নামাজ আদায় করা = ১ কীরাত সওয়াব ( ১ কীরাত হল উহুদ পাহাড়ের সমান।
⭕ জানাযার নামাজ আদায় করা + দাফন সম্পন্ন হওয়া প্রযন্ত থাকা = ২ কীরাত সওয়াব।
⭕উযু করে নামাজের উদ্দেশ্য মসজিদে রওনা করা = প্রতি কদমের বিনিময়ে একটি গুনাহ মাপ ও একটি মর্যাদা বৃদ্ধি।
(সূত্র : বুখারী ৬৪৮,৭৯৯,৫০১৫।আবু দাউদ ৫০৫৫। তিরমিযী ৯৩১,২৮৯৩)
🔘আল্লাহ তায়ালা আমাদের আমল করা তৌফিক দান করুন
No comments:
Post a Comment